তনু ধর্ষণ-হত্যা: ডিসির জরুরি সভা


কলেজছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জরুরি সভা ডেকেছেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক। শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসকের জরুরিভিত্তিতে ডাকা ওই সভায় অংশ নিচ্ছেন- জেলা পুলিশ সুপার, সেনা কর্মকর্তা আর গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা। সভায় তনু হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরতদের আশ্বস্ত করা হবে।

জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল বাংলামেইলকে জানান, তনু হত্যার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত আর গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশসহ গোয়েন্দারা। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে।

এদিকে, জেলার মুরাদনগরের মির্জাপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা তনুর পরিবারের সদস্যদের মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজগর আলী আশ্বস্ত করলেও আতঙ্ক কাটছে না তাদের।

তনুর ভাই রুবেল বাংলামেইলকে বলেন, তার বাবাকে সেনানিবাস এলাকার বাসায় ফেরত যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানীবাসের ভেতরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে (১৯) ধর্ষণের পর হত্যা করে। ময়নামতি সেনানিবাসের অলিপুর এলাকায় একটি কালভার্টের কাছ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের (সম্মান) ছাত্রী এবং একই কলেজের নাট্য সংগঠন ‘ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের (ভিসিটি) সদস্য।

তনু কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা ইয়ার হোসেনের মেয়ে। ইয়ার হোসেন ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় অলিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। সেই সুবাদে তনুরা অনেক দিন ধরেই অলিপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তনু মেঝো।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *